
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ। এতে সারা দেশে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসব তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষাবোর্ড কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
পরীক্ষার প্রথম দিনে আজ এসএসসিতে বাংলা প্রথমপত্র, দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ এবং ভোকেশনালে বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হলেও যানজট ও ভোগান্তি এড়াতে পরীক্ষার্থীরা সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে। প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা দিতে পারে এজন্য যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। পরীক্ষার সময় যাতে বিদ্যুতের সরবরাহ ঠিক থাকে এজন্য সারা দেশে দায়িত্বপ্রাপ্তদের চিঠি দিয়ে অনুরোধ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের মন থেকে পরীক্ষাভীতি দূর করতে চাই। সামাজিক মাধ্যম শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাভীতি তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষামন্ত্রী। এদিকে সংবাদ সম্মেলন থেকে সব পাবলিক পরীক্ষা ডিসেম্বরে নেওয়ার আভাস দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, জানুয়ারিতে কোর্স শুরু করে ডিসেম্বরে কোর্স শেষ হয়। কোর্স শেষ করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। যদি ডিসেম্বরে কোর্স শেষ হয় তাহলে তাদের জীবন থেকে এক বছর নষ্ট করা হবে কেন? প্রশ্ন ফাঁসের শঙ্কা থেকে অতীতে পাবলিক পরীক্ষার সময়ে বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকলেও এবার এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার। এ বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোচিং সেন্টারগুলো বৈধ প্রতিষ্ঠান নয়, সরকারের নিবন্ধিত নয়। এগুলো আমরা রিকগনাইজ (স্বীকৃতি) করি না। এগুলো নিয়ে সরকারের কোনো লিস্ট নেই। কোথায় কোচিং সেন্টার হয় সেটিও আমি জানি না।
আপনার মতামত লিখুন :