
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদনকারী মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থীও আবেদন করা সত্ত্বেও নির্বাচিত হননি। এ ছাড়াও ১৪ হাজার ৪১৫ জন আবেদনকারী আসন পাননি। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় একাদশে ভর্তির পর্বের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ১১টি কলেজে ভর্তির জন্য কোনো শিক্ষার্থী আবেদন করেনি। আরও ৪১৬টি কলেজে আবেদন জমা পড়লেও সেগুলোর কোনোটিতেই কোনো শিক্ষার্থী বরাদ্দ করা হয়নি। এ বছর যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৮ হাজার ১৮০টি।
শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে।
এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে আবেদন করেছে প্রায় ১০ লাখ ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী। সারাদেশে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও মাদরাসা মিলিয়ে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ।
এর আগে, ২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। এবার ভর্তির জন্য কোনো পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে না। অনলাইন আবেদনের ফি ছিল ২২০ টাকা।
ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করার সুযোগ পেয়েছেন। আবেদনকারীরা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত পছন্দক্রম পরিবর্তন করতে পেরেছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়পত্র (টিসি) ইস্যু বা শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। অনুমোদনহীন শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা এমপিওভুক্তি বাতিল করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি।
আপনার মতামত লিখুন :